নাটোরে গোল্ডেন ও জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০১৪

২০১৪সালের ৫ই জুন, নলডাঙ্গা উপজেলার হরিদাখলসী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গোল্ডেন ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। প্রেরণা সমাজকল্যান সংস্থা ও পজিটিভ হেলথ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ) এর যৌথ আয়োজেনে উপজেলার কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। পজিটিভ হেলথ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন এর মাননীয় চেয়াম্যান জনাব লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং নির্বাহী পরিচালক মো: মাহফুজুল হক উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন ও ব্যাজ পরান। স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রেরণা সমাজকল্যান সংস্থ ‘র নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য উপজেলার ১৭জন ছাত্র-ছাত্রীকে এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সাথে পজিটিভ হেলথ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান ঘোষনা করেন, পরবর্তীতে এই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার বিষয়ে যে কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে সেসকল সহযোগিতা করা হবে। এই দিন পজিটিভ হেলথ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন এ উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা ২০১৫

পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনের (ফিলাফ) উদ্যোগে গত ২৭শে মার্চ, ২০১৫ আয়োজন করা হয় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা । সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর মনিসিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট ভবনের মুনির আজাদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে  আলোচনায় অংশগ্রহন করেন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র বিভাগের প্রফেসর ও চেয়ারম্যান ডঃ এ.জে.এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক মোঃ জামিলুর রহমান খান, কিউরেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিঃ এর সম্মানিত পরিচালক ওহিদুজ্জামান মুরাদ, পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ)  এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক, পরিচালক মোঃ আশিকুজ্জামান খান, মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া, শাহিদ হোসাইন এবং প্রতিষ্ঠানের মানবাধিকার কর্মী ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি  সভাপতিত্ব করেন  প্রতিষ্ঠানের  চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব ফিরোজ আলম টিপু ।

অনুষ্ঠানে জনাব ডঃ এ.জে.এম শফিউল আলম ভূঁইয়া স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাতপর্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীন সার্বভৌম রাস্ট্র হিসেবে সবারই অধিকার রয়েছে মৌলিক চাহিদা পুরনের। আমাদের  উচিৎ সবার অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য মানবাধিকারকর্মী হিসেবে পাশে দাড়ানো।

জনাব মোঃ জামিলুর রহমান খান জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক ঘোষনাপত্র এবং বাংলাদেশের আইনে যে সমস্ত অনুচ্ছেদে মানবাধিকারের বর্ননা আছে তা পড়ে শোনান । তিনি এ সমস্ত অনুচ্ছেদ বর্ননা করে সবার সামনে তুলে ধরেন যে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের  মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সংবিধানে তারই প্রতিফলন রয়েছে। তবে আইনের কিছু সীমাবদ্ধতার কারনে অনেক সময় আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হই। তাই যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়, মানবাধিকার কর্মীদের উচিৎ সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাড়ানো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আইনগত বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে সহযোগিতা করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। স্বাধীনতা দিবসের তাতপর্য তুলে ধরে তিনি এর চেতনাবোধে সবাইকে জাগ্রত হবার আহবান জানান।

জনাব ওহিদুজ্জামান মুরাদ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং মানবাধিকার কর্মীদের এগিয়ে যাবার আহবান জানান। তিনি বলেন মানবাধিকার কর্মীদের উচিৎ সমাজের সমস্ত বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা।

মোঃ মাহফুজুল হক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সবার সামনে তুলে ধরেন এবং স্বাধীনতা দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে এর অভিন্নতা উল্লেখ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ফিলাফ এমন একটি প্রতিষ্ঠান হবার স্বপ্ন দেখে যারা সরকারী, বেসরকারী, দাতা দেশ, দাতা সংস্থা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সমন্বয় করে সকলের সেবা করব । তিনি আরও উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে না এলেও প্রতিষ্ঠানটি হতাশ নয়, বরং তার পরিচালকদের নিজস্ব  অর্থায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনী খাতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এর সাথে জড়িত সমস্ত মানবাধিকার কর্মী এবং তার পরিবারবর্গকে এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্ত হবার জন্য সাধুবাদ জানান।

জনাব মোঃ আশিকুজ্জামান খান ও মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া এই প্রতিষ্ঠানের একজন হিসেবে থাকার জন্য নিজেদের ভালোলাগার কথা জানান। তারা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করেন। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তিনি অতিথীদের হাতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের আরেক পর্যায়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের কথা স্মরণ করে সবাই এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।

মানবপাচার বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক আলোচনা ‍সভা

পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনের (ফিলাফ) উদ্যোগে গত ৫ই জুন, ২০১৫, শুক্রবার আয়োজন করা হয় মানবপাচার বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক আলোচনা সভা (Discussion on Awareness For Human Trafficking)। সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর মনিসিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট ভবনের মুনির আজাদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে  আলোচনায় অংশগ্রহন করেন  পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ)  এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক, পরিচালক মোঃ আশিকুজ্জামান খান, মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া, ফিরোজ আলম টিপু এবং প্রতিষ্ঠানের মানবাধিকার কর্মী ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন  প্রতিষ্ঠানের  চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল

উদ্বোধনী বক্তব্যে নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক মানব পাচারের বিভিন্ন বিষয় সবার সামনে তুলে ধরেন এবং এতে করে পাচার হয়ে যাওয়া মানুষের পরিবারের দূর্ভোগের কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ফিলাফ এমন একটি প্রতিষ্ঠান হবার স্বপ্ন দেখে যাতে করে এর মানবাধিকার কর্মীরা সবাইকে এজাতীয় যে কোন ভয়ংকর বিষয় থেকে রক্ষা করার জন্য ভূমিকা নিতে পারবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাচার হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর মধ্যে শিশু, মহিলা, পুরুষ সব ধরনের লোকই রয়েছে এবং এসমস্ত মানুষকে কিছু দালালচক্র ফাঁদে ফেলে এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। মানবাধিকার কর্মীদেরকে প্রতি তিনি আহবান জানান, তারা যেন তাদের এলাকার সবাইকে সচেতন করেন এই সমস্ত দালালদের প্রলোভনে না পড়ার জন্য। কেউ যদি দেশের বাইরে যেতে চান, তাহলে যেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোতে যোগাযোগ করে ভিসা সম্পর্কে জেনে বৈধভাবে দেশের বাইরে যাবার আহবান জানান। অবৈধ পথে কেউ যেন দেশের বাইরে না যায়, এ ব্যাপারে তিনি মানবাধিকার কর্মীদের সবাইকে সচেতন করার আহবান জানান। তিনি ফিলাফের সমস্ত মানবাধিকার কর্মী এবং তার পরিবারবর্গকে এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্ত হবার জন্য সাধুবাদ জানান।

জনাব মোঃ আশিকুজ্জামান খান, ফিরোজ আলম টিপু ও মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া, এই প্রতিষ্ঠানের একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সবাইকে মানব পাচারের কুফল বর্ণনা করেন এবং সবাই যেন এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারে সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা নিজেরাও নিজেদের সবটুকু উজাড় করে মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আল্লাহ্‌ মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে তৈরি করেছেন। আর সেই মানুষ যদি এধরনের সমস্যার সম্মুখিন হয় তাহলে তা খুবই দুঃখজনক। তিনি আরও বলেন প্রত্যেক সচেতন মানুষের উচিৎ মানবাধিকারে ভূমিকা রাখা আর সেটা ঠিকমত করা যায় যদি তারা কোন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে। তিনি ফিলাফের সমস্ত মানবাধিকার কর্মীদের এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্ত হবার জন্য ধন্যবাদ জানান। মানবাধিকার কর্মীদের তিনি এজাতীয় সঙ্কট মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহবান জানান।

নেত্রকোনায় মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনাসভা ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠান

মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনাসভা ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠান পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশান এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ) কর্তৃক গত ০৮.০৫.২০১৫ শুক্রবার বিকাল ৫টায় নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়। জয়হরি স্প্রাই সরকারী উচ্চবিদ্যালয় অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অালোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ মাহফুজুল হক, পরিচালক জনাব ফিরোজ আলম টিপু, জনাব আশিকুজ্জামান খাঁন এবং জনাব শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া (শেফু), কেন্দুয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোফাজ্জল হোসেন ভূঞা, কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি জনাব মামুন আহম্মেদ কেন্দুয়া প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারী জনাব আঃওয়াদুদ ভূঞা, দৈনিক সমকালের সাংবাদিক জনাব বাবু সমরেন্দ্র শর্মা দৈনিক ইত্তেফাকের, দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক জনাব জিয়াউর রহমান জীবন ও জনাব হারেছ উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক জনাব বদিউজ্জামান বকুল। অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ফিলাফের কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা সকলে ফিলাফের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং যে কোন কর্মকান্ডেফিলাফকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।অনুষ্ঠানে ১৩০ জন প্রশিক্ষনার্থীকে সনদ প্রদান করা হয় । সনদপ্রাপ্তগণ মানবাধিকার ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন করার জন্য এই সনদ লাভ করেন। আলোচনাসভা ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠান আয়োজন ও উপস্থাপনা করেন প্রতিষ্ঠানের কেন্দুয়া উপজেলা ইন-চার্জ, আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সাংবাদিক ও কবি জনাব নেহাল হাফিজ।

ঢাকায় মানবাধিকার ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা ও সনদপত্র বিতরন

পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনের (ফিলাফ) এবং আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর যৌথ উদ্যোগে গত ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখ আয়োজন করা হয় মানবাধিকার ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর পল্টনে মুক্তি ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন আজহারুল ইসলাম ফারু, ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, সফর আলী টেস্ট. লিঃ, পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ) এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক, পরিচালক মোঃ আশিকুজ্জামান খান, মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া, শাহিদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট শামিমা আক্তার জলি এবং প্রতিষ্ঠানের মানবাধিকার কর্মী ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, এবং আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের সাংবাদিক ও কলাকুশলীরা। অনুষ্ঠানটি  সভাপতিত্ব করেন  প্রতিষ্ঠানের  চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ঠ কবি জনাব হেলাল হাফিজের কনিষ্ঠ ভ্রাতা জনাব নেহাল হাফিজ। পরিশেষে সারাদিন যারা ট্রেনিং সেশনে অংশগ্রহন করেছেন, তাদের সনদপত্র প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়াম্যান এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং অন্যান্য অতিথীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক ঘোষনাপত্র এবং বাংলাদেশের আইনে যে সমস্ত অনুচ্ছেদে মানবাধিকারের বর্ননা আছে তা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সমস্ত অনুচ্ছেদ বর্ননা করে সবার সামনে তুলে ধরেন যে, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের  মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সংবিধানে তারই প্রতিফলন রয়েছে।তবে আইনের কিছু সীমাবদ্ধতার কারনে অনেক সময় আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হই। তাই যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়, মানবাধিকার কর্মীদের উচিৎ সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাড়ানো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আইনগত বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে সহযোগিতা করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। স্বাধীনতা দিবসের তাতপর্য তুলে ধরে এর চেতনাবোধে সবাইকে জাগ্রত হবার আহবান জানান।

বক্তারা মানবাধিকার ও বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সবার সামনে তুলে ধরেন এবং এই দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে এর অভিন্নতা উল্লেখ করেন। ফিলাফ এমন একটি প্রতিষ্ঠান হবার স্বপ্ন দেখে যারা সরকারী, বেসরকারী, দাতা দেশ, দাতা সংস্থা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সমন্বয় করে সকলের সেবা করবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে না এলেও প্রতিষ্ঠানটি হতাশ নয়, বরং তার পরিচালকদের নিজস্ব  অর্থায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনী খাতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এর সাথে জড়িত সমস্ত মানবাধিকার কর্মী এবং তার পরিবারবর্গকে এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্ত হবার জন্য সাধুবাদ জানান। তারা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাগেরহাটে মানবাধিকার ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সনদপত্র বিতরন

গত ১৮ই ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখ বাগেরহাটে মানবাধিকার ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মানবাধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনের (ফিলাফ) এবং আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম। যৌথ উদ্যোগের এই অনুষ্ঠান বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাগেরহাটের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন পজিটিভ হেলথ্ এডুকেশন এন্ড লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন (ফিলাফ) এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক, পরিচালক মোঃ আশিকুজ্জামান খান, মোঃ শেফায়েত উল্লাহ ভূঁইয়া, বাগেরহাট জেলা সমন্বয়ক আব্দুল হালিম, প্রতিষ্ঠানের মানবাধিকার কর্মী  এবং আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের জেলা সাংবাদিক ও কলাকুশলীরা। অনুষ্ঠানটি  সভাপতিত্ব করেন  প্রতিষ্ঠানের  চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল। আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহফুজুল হক। পরিশেষে সারাদিন যারা ট্রেনিং সেশনে অংশগ্রহন করেছেন, তাদের সনদপত্র প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়াম্যান এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং অন্যান্য অতিথীবৃন্দ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক ঘোষনাপত্র এবং বাংলাদেশের আইনে যে সমস্ত অনুচ্ছেদে মানবাধিকারের বর্ননা আছে তা নিয়ে অনুষ্ঠানে বক্তারা আলোচনা করেন। এ সমস্ত অনুচ্ছেদ বর্ননা করে সবার সামনে তুলে ধরেন যে, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের  মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সংবিধানে তারই প্রতিফলন রয়েছে।তবে অনেক সময় আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হই আইনের কিছু সীমাবদ্ধতার কারনে। তাই যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়, মানবাধিকার কর্মীদের উচিৎ সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাড়ানো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আইনগত বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে সহযোগিতা করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। স্বাধীনতা দিবসের তাতপর্য তুলে ধরে এর চেতনাবোধে সবাইকে জাগ্রত হবার আহবান জানান।

মানবাধিকার ও বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সবার সামনে তুলে ধরেন এবং এই দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে এর অভিন্নতা উল্লেখ করেন। ফিলাফ এমন একটি প্রতিষ্ঠান হবার স্বপ্ন দেখে যারা সরকারী, বেসরকারী, দাতা দেশ, দাতা সংস্থা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সমন্বয় করে সকলের সেবা করবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে না এলেও প্রতিষ্ঠানটি হতাশ নয়, বরং তার পরিচালকদের নিজস্ব  অর্থায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনী খাতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এর সাথে জড়িত সমস্ত মানবাধিকার কর্মী এবং তার পরিবারবর্গকে এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্ত হবার জন্য সাধুবাদ জানান। তারা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরে মানবাধিকার কর্মীদের সনদপত্র প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়াম্যান এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং অন্যান্য অতিথীবৃন্দ। মানবাধিকার কর্মীরা এই সনদপত্র প্রাপ্তিকে তাদের জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।